নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
উদ্দেশ্যঃ-
v স্ট্রিট
ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ না করে নির্দিষ্ট সড়কে নির্দিষ্ট সময় ও দিনের জন্য পুনর্বাসন করা।
v স্ট্রিট ব্যবসায়ীদের আয় বৃদ্ধি ও সমতা প্রতিষ্ঠায় টেবিল ও সিফট সিস্টেম।
v এনআইডি ও মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমের মাধ্যমে হাইব্রিড ও বিত্তশালী হকারদের স্ট্রিট ব্যবসা বন্ধ করা।
v পরিবহনের মাধ্যমে আবাসিক এলাকায় ভ্রাম্যমান বিপনী বিতান প্রতিষ্ঠায় উৎসাহ প্রদান ।
v সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথিকদের হাঁটার পথ উম্মুক্ত করা ও মোটরযানের গতি বৃদ্ধি করা।
v অসহায়, ক্ষতিগ্রস্ত ও দূর্গতদের বিনা পুঁজিতে সাময়িক আর্থিক আশ্রয়স্থল প্রদান করে তাদের জীবন বাঁচায়ে প্রাতিষ্ঠানিক জীবিকার সুযোগ দেওয়া।
v স্ট্রিট ব্যবসায়ীদের মূলধারার অর্থনীতির সাথে সংযুক্ত করা।
#আখতার সাহেবের বয়স ২৬ বছর। কলেজে ভর্তি হলেও
কিছুটা আর্থিক অনটনে ও খেলাধুলার নেশায় পড়ালেখা শেষ করতে পারেননি। গ্রামে
সপ্তাহে দুই-তিন দিন নিজের পকেট খরচ যোগাতে দিন-মজুরের কাজ করতেন। ভদ্রা নদীর
গর্ভে বাড়ি বিলীন হয়ে গেলে তার মা কানের দুল বিক্রয় করে ও কিছু জমানো টাকা সহ
১৬ হাজার টাকা দিয়ে তাকে ঢাকায় পাঠান
স্থানীয় এক হকারের তত্ত্বাবধানে। দেশি হকারের
সহায়তায় ৮ হাজার টাকায় ফুটপাতে পজিশন ও চৌকি নিয়ে এবং ৭ হাজার টাকার প্যান্ট
কিনে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। প্রথম দিনেই খরচ বাদে প্রায় ২,২০০ টাকার আয় করেন, ৭ হাজার টাকার প্যান্ট ১২,৯০০ টাকায় বিক্রয় করেন। প্রায় ৬ বছর যাবত সততার সাথে ঢাকায়
ফুটপাতে হকার ব্যবসা করে গ্রামের বাজারে দোকান সহ কয়েক কাঠা জমি কিনেছেন। কয়েক
বছরের মধ্যে গ্রামে জমি ও পাকা বাড়ি করেছিলেন। গ্রামের পোলাপানের সহযোগিতায় বর্তমানে
বিভিন্ন পণ্যের আরও ৪টি দোকান তিনি ফুটপাতে
পরিচালনা করেন এবং তার বন্ধুদেরও বিভিন্ন জায়গায় হকার ব্যবসার সুযোগ করে
দিয়েছেন। বর্তমানে
প্রতিদিন তিনি বেতন ও সকল খরচ ব্যতীত দোকান প্রতি ১,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা আয় করেন। (আখতার সাহেব কখনো নেশা বা জুয়া খেলে টাকার অপচয় করেন নি)
স্বল্প আয়ের মানুষের
কেনাকাটার একমাত্র ভরসা ফুটপাতের দোকান। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশাহারা মধ্য
ও নিম্নবিত্ত মানুষ, একটু সাশ্রয় মূল্যে পণ্য পেতে তারা মরিয়া, বিভিন্ন অকেশনে ফুতপাতে
কেনাকাটার ধুম লেগে যায়। গ্রামের মেলার মতো শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও ফুটপাতের
দোকানগুলোতে কেনাকাটা করে।
তেমনই, খুব স্বল্প
পুঁজিতে অসহায় মানুষ সড়কে বা ফুতপাতে ব্যবসা করে তার পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা
করেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাদের পরিবার নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে থাকেন, কষ্টে জীবন
যাপন করেন। এজন্য হকারদের গুরুত্ব অপরিসীম, তাদের নির্দিষ্ট প্যাটার্ন এর মধ্যে আনা অত্যন্ত জরুরী। জাতির
আস্তা ও ভরসার কেন্দ্র জনদরদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বারবার প্রকৃত হকারদের যৌক্তিক পুনর্বাসনের কথা
বলেছেন।
তাঁর দিক নির্দেশনা ধারণ করে
ডিজাইন করা হয়েছে। হকার ব্যবসার পলিসি মূল্যায়ন করে কাস্টমার আকর্ষণ করতে জনকীর্ণ
স্থানের সন্নিকটে নির্দিষ্ট স্থান ও একই স্থানে স্বল্পমূল্যে প্রায় সকল ধরনের পণ্যের পসরা সাজাতে ব্যবস্থা
রাখা হয়েছে এবং সকল হকারের মূল্যায়ন সমুন্নত রাখা হয়েছে।