আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
১। ভোটার
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

v  জাতীয় সংসদ নির্বাচন, (ফাস্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ভোটিং)

v  নির্বাচনের ভোটার,

§  ইউনিয়ন প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাচন অফিস সমন্বয়ে মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। তফসিল ঘোষণার ১ মাস পূর্বে খসড়া ভোটার তালিকা স্থানীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

§  খসড়া ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে আপিল দাখিলের সময় থাকবে।

§  তফসিল ঘোষণার সাথে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা স্থানীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

 §  প্রথম ধাপে,

o   একটি সংসদীয় নির্বাচনী এলাকায় সকল ইউনিয়ন পরিষদের রানিং পুরুষ ও মহিলা চেয়ারম্যান ও মেম্বার।

o   স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৪ ধারা অনুযায়ী চেয়ারম্যান বা সদস্য পদ শূন্য হলে নির্বাচিত নতুন চেয়ারম্যান বা সদস্য কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত পূর্বের চেয়ারম্যান বা সদস্য ভোটার থাকবেন।

§  দ্বিতীয় ধাপে,

o   ভোটার তালিকায় ভোট কেন্দ্রের নাম (শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম) ও ভোট কক্ষ নম্বর উল্লেখ থাকবে

o   উপজেলার ১৮ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত এনআইডি’র স্থায়ী ঠিকানা অনুযায়ী বাসিন্দা। তবে,

§  সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়েত্বশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা নির্বাচনে ভোটার হবে না।

§  সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পদের সদস্য নির্বাচনে ভোটার হবে না।

§  দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ বা বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেছেন তাঁরা নির্বাচনে ভোটার হবে না।

§  তফসিল ঘোষণার ১ মাস পূর্বে বিদেশে অবস্থান করছেন তাঁরা নির্বাচনে ভোটার হবে না।

(৭০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরা দেশের সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি ও অগ্রধিকার প্রাপ্ত হবেন, দলমত নির্বিশেষে তাঁরা সকলের শ্রদ্ধার পাত্র থাকবেন। তেমনি সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়িতশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী ও প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত শিক্ষক-শিক্ষিকা ভোট প্রদান করতে পারবেন না (ধর্ম, দল-মত নির্বিশেষে তাঁরা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও আস্থার পাত্র থাকবেন। সকলকে সমান অধিকার প্রদান এবং সমান দৃষ্টিতে দেখতে বাধ্য, কাজেই কোনো দল-মতের অংশ হতে পারবেন না।)।